সৌদিতে বাংলাদেশি গৃহকর্মীকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগ: গ্রেপ্তার সৌদি কফিল
সৌদি আরবে এক বাংলাদেশি গৃহকর্মীকে দীর্ঘ এক বছর ধরে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার দায়ে এক সৌদি নাগরিক (কফিল)-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ওই নারী গত দুই বছর ধরে ওই কফিলের বাড়িতে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে আসছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না তাঁর। কফিলের পাশবিক লালসার শিকার হয়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন তিনি।
ভুক্তভোগী নারী জানান, দীর্ঘ এক বছর ধরে তাঁর ওপর জোরপূর্বক শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল কফিল। লোকলজ্জা ও প্রাণের ভয়ে বিষয়টি তিনি গোপন রাখতে বাধ্য হয়েছিলেন। কফিলের অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হলে তাঁকে অমানবিক শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হতো। এভাবে এক পর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
দীর্ঘদিন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় দেশে থাকা তাঁর স্বামী ও পরিবার চিন্তিত হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে বিষয়টি সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসকে জানানো হয়। দূতাবাসের দ্রুত ও সময়োপযোগী তৎপরতায় আসল ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে এবং অভিযুক্ত সৌদি কফিলকে গ্রেপ্তার করে স্থানীয় পুলিশ।
বর্তমানে ওই বাংলাদেশি নারী ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। প্রবাসীরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ওই কফিলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন। সৌদি আরবে এমন অনেক বাংলাদেশি নারী কর্মী লোকচক্ষুর অন্তরালে নির্যাতিত হচ্ছেন বলে দাবি করেছেন অনেকে।
বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, ভুক্তভোগী নারীর নিরাপত্তা ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করাই এখন মূল লক্ষ্য। প্রবাসীদের মধ্যে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
আল্লাহ সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদের হেফাজত করুন। (আমিন) 🤲🥀
0 Comments