নোয়াখালী-২ (সেনবাগ–সোনাইমুড়ী) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুকের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে সেনবাগ বাজারে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান ও বিএনপির প্রার্থীর নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর বিভিন্ন বাজারে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয় এবং পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পুরো এলাকায় এখন থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রতিক্রিয়া
অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান তার সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "কেউ কোনো ষড়যন্ত্রে পা দেবেন না। নির্বাচন বানচাল করার অপচেষ্টা চলছে। এই হামলার জবাব আপনারা ১২ তারিখ ব্যালট পেপারের মাধ্যমে দেবেন।" উল্লেখ্য, এর আগে কাজী মফিজুর রহমানের গাড়িবহরেও হামলার ঘটনা ঘটেছিল।
১১ দলীয় জোটের নিন্দা
১১ দলীয় জোটের প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, "এবারের নির্বাচন সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে। ১২ তারিখ ব্যালটের মাধ্যমেই অপশক্তির জবাব দেওয়া হবে।" তিনি সন্ত্রাসমুক্ত সেনবাগ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশার জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাজারের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

0 Comments