তেহরানে বিমান হামলায় ইরানের অন্তর্বর্তী সর্বোচ্চ নেতা কি নিহত? ছড়িয়ে পড়েছে গুঞ্জন
মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন এক চাঞ্চল্যকর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, ইরানের অন্তর্বর্তী সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তেহরানে এক বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পোস্ট এবং কিছু ইসরায়েলি গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, তেহরানে চালানো হামলার সময় আরাফি লক্ষ্যবস্তু হন। তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বা আন্তর্জাতিক প্রধান সংবাদ সংস্থাগুলো এখনো এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেনি।
আরাফি গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন ফকিহ (ধর্মীয় আইনজ্ঞ) প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অন্তর্বর্তী এই পরিষদে প্রেসিডেন্ট ও প্রধান বিচারপতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পান। ধর্মীয় কর্তৃত্বের দিক থেকে আরাফিকে পরিষদের সবচেয়ে প্রভাবশালী সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল।
১৯৫৯ সালে ইয়াজদ প্রদেশের মেইবদে জন্মগ্রহণ করা আরাফি ইরানের শীর্ষস্থানীয় শিয়া আলেমদের একজন। তিনি কোম শহরে প্রখ্যাত আলেমদের অধীনে পড়াশোনা করেন এবং ‘মুজতাহিদ’ মর্যাদা অর্জন করেন। ফিকহ শাস্ত্র অনুসারে তিনি স্বাধীনভাবে ইসলামি আইনগত রায় দেওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন ছিলেন।
সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, তাঁর মৃত্যুর গুঞ্জন সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বা নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। তেহরানের পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতি না আসা পর্যন্ত এই খবরটি কেবল গুঞ্জন হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে এমন খবর বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

0 Comments